Book Now

কোন ব্যাংকে এবং কিভাবেন স্টুডেন্ট ফাইল ওপেন করবেন

A picture that has a large text saying "Bank"

বিদেশে পড়তে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের মনে অনেক প্রশ্নের উদয় হয়। অজানায় পাড়ি জমাতে হয় আমাদের। আর এই ভয়কে জয় করে অর্জন করতে হয় জীবনের সাফল্য। বিদেশ বিভুয়ে কিভাবে যাবো, কিভাবে টাকা পাঠাবো – আমাদের চিন্তার তো অন্ত নেই। তাই আজ আপনাদের চিন্তা লাঘব করতে আলোচনা করছি ব্যাংকে স্টুডেন্ট ফাইল ওপেনিং নিয়ে।

কোন নির্দিষ্ট ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লিকেশান ফি/টিউশন ফি দেওয়া, হোস্টেল/বাসা ভাড়া পাঠানোর জন্য বৈধ ও নিরাপদ উপায় হল ব্যাংক চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থের লেন দেন করা- আর এজন্য ব্যাংকে স্টুডেন্টের নামে খোলা হয় বিশেষ এই একাউন্টস যার নাম স্টুডেন্ট ফাইল।

ব্যাংক স্টুডেন্ট ফাইল খোলার সময় আপনার অপশন অনেক। তবে যে সকল ব্যাংকের অনলাইন লেনদেনের ব্যবস্থা আছে তাদের এই ক্ষেত্রে বেশি পছন্দ করা হয়। আর ব্যাংকে স্টুডেন্ট ফাইল খোলার সময় সেই ব্যাংকের এই ব্যাপারে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে কি না সেটা দেখে নেওয়া উচিত। আর তারা দ্রুত ও নিরাপদে টাকা ট্রানজ্যাক্ট করতে পারছে কি না সে বিষয়েও খোঁজ নিয়ে নিতে হবে।

আপনাদের সুবিধার্থে কিছু প্রচলিত ব্যাংকের তালিকা দেওয়া হল, তবে এই বিষয়ে বর্তমানে অনেক ব্যাংক অনেক ভালো কাজ করছে-

  • Brac Bank
  • City Bank
  • Eastern Bank
  • Commercial Bank of Ceylon
  • Standard Charterd Bank

বেশ কয়েকটি সরকারি ব্যাংকেও আপনি স্টুডেন্ট ফাইল খুলতে পারবেন। তাই এই লিস্ট এর বাহিরেও আপনি অন্যান্য ব্যাংকগুলোতে গিয়ে ও অন্যান্য অপশন বিবেচনা করে আপনার পছন্দের ব্যাংক নির্বাচন করতে পারেন।

স্টুডেন্ট একাউন্টস খোলার সময় আপনি আপনার প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্টস নিয়ে ব্যাংকে যাবেন। তারা আপনার বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য সকল প্রয়োজনীয় তথ্য দেখে শুনে স্টুডেন্ট ফাইল খোলার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আপনি একটি ফর্ম পূরণের মাধ্যমে বিদেশে টাকা প্রেরণের আবেদন করবেন।

Bank Student File
Image Source: Internet

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

সাধরণত এই স্টুডেন্ট ফাইল খোলার সাপোর্টিং ডকুমেন্টসের লিস্ট ব্যাংক থেকে ব্যাংক ভিন্ন হয়। নিচে প্রচলিত ডকুমেন্টসের একটি তালিকা দেওয়া হলঃ

১। এডমিশন লেটার

২। ২ কপি ছবি

৩। সকল সনদপত্র

৪। যেই ব্যাংক এ টাকা পাঠাবেন তার রিফান্ড পলিসি

৫। যেই বিষয় এ পড়বেন তার ব্যাপারে তথ্য, যেমন কত  Semester, কত দিন লাগবে পড়তে

৬। এমব্যাসি’র ভিসা Requirement পেজ, যেখানে টাকার পরিমান দেয়া আছে

৭। নতুন এবং পুরান পাসপোর্ট এবং তার ফটোকপি

৮। জাতীয় পরিচয় পত্র

৯।  একজন নমিনির জাতিয় পরিচয় পত্র এর ফটোকপি

১০।নমিনির নামে বিলের (বিদ্যুৎ, গাস) কপি, ব্যাবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স, চাকুরীজীবী হলে সেলারি সার্টিফিকেট এর ফটোকপি

১১।নমিনির ১ কপি ছবি

ফি ও চার্জ

ফি ও চার্জ ব্যাংক ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়। নমুনাস্বরুপ ইস্টার্ন ব্যাংক লিঃ (ইবিএল) এর ফি ও চার্জ

নিম্মে দেওয়া হল।

  • শিক্ষার্থী ফাইল খোলা ফি: সার্কভূক্ত দেশগুলোর জন্য ৪,৫০০ টাকা; নন সার্কভূক্ত দেশগুলোর জন্য ৫,৫০০ টাকা।
  • স্টুডেন্ট ফাইল নবায়ন ফি: সার্কভূক্ত দেশগুলোর জন্য ৩,৫০০ টাকা; নন সার্কভূক্ত দেশগুলোর জন্য ৪,৫০০ টাকা।
  • রেমিট্যান্স চার্জ: ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী।

এভাবে আপনি স্টুডেন্ট ফাইল খুলতে পারবেন। একেক ব্যাংকে একেক ডকুমেন্টস চায়, তাই যে ব্যাংকে স্টুডেন্ট ফাইল ওপেন করবেন সে ব্যাংকের ওয়েবসাইট অথবা সরাসরি যোগাযোগ করে বিস্তারিত জেনে নিবেন।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *